প্রদর্শিত দলীয় প্রজেক্টের মধ্যে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ডিজিটাল সিটি প্রথম, যৌথভাবে নবম ও দশম শ্রেণির মডার্ণ এগ্রিকালচার, অতিরিক্ত খরায় কৃষিকাজে বিজ্ঞান দ্বিতীয় এবং একক প্রজেক্টে সাহারুল ইসলাম তাসরিফের হাইড্রোলিক এক্সকাভেটর প্রথম স্থান লাভ করেছে।
উই আর ফ্রেন্ডস্ ফর হিউম্যানের (ওয়াফ) বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত মেলার ২য় পর্বে দশম শ্রেণির দেয়াল পত্রিকা 'ধ্রুবতারা' ও নবম শ্রেণির দেয়াল পত্রিকা 'সপ্তর্ষি মণ্ডল' প্রকাশ করা হয়। দেয়াল পত্রিকার সম্পাদকীয় পাঠ করেন নবম শ্রেণির তমা শর্মা ও দশম শ্রেণির আয়েশা হক।
তৃতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সপ্তম-অষ্টম শ্রেণির 'ক' গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয় সপ্তম শ্রেণি এবং নবম-দশম শ্রেণির 'খ' গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয় দশম শ্রেণি। 'ক' গ্রুপের সেরা বক্তা তমাশ্রী অলমিক এবং 'খ' গ্রুপের সেরা বক্তা নির্বাচিত হন দশম শ্রেণির আয়েশা হক।
বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় মেলার তিন পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিক্ষক সঞ্জয় দেবনাথের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মন্তাজ আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. শাহীন আহমদ, সিনিয়র শিক্ষক এরশাদ হোসাইন, আফিয়া বেগম, ফণীভূষণ চন্দ, নূর ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সুশান্ত বর্মন, নীলিমা রানী বৈদ্য, জয়রাজ উল্ল্যা, মীরা শর্মা, শিমুল মিয়া, ওয়াফের প্রকল্প সমন্বয়ক সাইফুদ্দিন সেলিম, সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আতিকুর রহমান, আইটি কর্মকর্তা বুরহানউদ্দিন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর আবুল কাশেম, অফিস সহায়ক নজরুল ইসলাম, দপ্তরি অজয় মালাকার, পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাজু বিশ্বাস প্রমুখ।
বিজ্ঞান বিষয়ে আলোচনা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
